করিমপুর যুদ্ধের ৫৪ তম বার্ষিকী মঙ্গলবার
বিজয়ের মাত্র এক সপ্তাহ আগে ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ফরিদপুর সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের করিমপুরে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের এক সম্মুখ যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল-সন্ধ্যার সেই যুদ্ধে শহীদ হন বাংলা মায়ের মৃত্যুঞ্জয়ী সাত মুক্তিযোদ্ধা।
এর মধ্যে বাহিনী প্রধান সালাহউদ্দিন ও দ্বিতীয় প্রধান মেজবাহউদ্দিন নৌফেল ও তার পাঁচ সহযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়দাতা চার কৃষক।
১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর ১৭ ডিসেম্বর ওইস্থান থেকে শহীদদের দেহাবশেষ উদ্ধার করে ফরিদপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এদিকে শহীদদের স্মরণে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকালে শহরের আলীপুর কবরস্থান জামে মসজিদে দোয়া ও শহীদদের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হবে।
১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর যশোর পতনের পর হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী পিছু হটে এক অংশ খুলনার দিকে এবং অপর অংশ ঢাকার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এক পর্যায়ে ফরিদপুরের মধুখালীর কামারখালী থেকে যশোর রোড ধরে ফরিদপুরের কানাইপুর
পর্যন্ত পাকিস্তানী বাহিনীর সৈন্য ও তাদের দোসররা অবস্থান নেয়।
এই খবর পেয়ে নতিবপুর ক্যাম্পে অবস্থানরত সালাউদ্দিন বাহিনীর যোদ্ধারা ৯ ডিসেম্বর সকালে প্রায় ছয় কিলোমিটার এগিয়ে গিয়ে যশোর রোডে আশ্রয় নেওয়া পাকিস্তানী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালায়।
Leave a Reply